Gmail! | Yahoo! | Facbook

রিমান্ড শেষে হেফাজতের দুই নেতাকে কারাগারে প্রেরণ

FacebookTwitterGoogle+Share

 

ঢাকা : হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সদ্য বিলুপ্ত কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর সভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব ও কেন্দ্রীয় সহকারী মহাসচিব মুফতি শাখাওয়াত হোসাইন রাজীকে রাজধানীর পল্টন ও মতিঝিল থানার নাশকতার একাধিক মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ (১২ মে) বুধবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শাহিনুর রহমান শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এ তথ্য নিশ্চিত করে আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) পুলিশের উপ-পরিদর্শক মোতালেব হোসেন বলেন, চলতি বছরের পল্টন থানার মামলায় রিমান্ড শেষে জুনায়েদ আল হাবীবকে আদালতে হাজির করেন মামলা সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তা। একইসঙ্গে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এদিকে মাওলানা রাজীকে পল্টন থানার মামলায় রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করেন মামলা সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তা। একই সঙ্গে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপেক্ষিতে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীবের গত ৪ মে পল্টন থানার পৃথক তিন মামলায় চার দিন, ২৬ এপ্রিল পল্টন ও মতিঝিল থানার পৃথক তিন মামলায় ১০ দিন, ১৮ এপ্রিল পল্টন থানার নাশকতার এক মামলায় তার ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। গত ১৭ এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মতিঝিল, রমনা ও লালবাগ বিভাগের গোয়েন্দা পুলিশের যৌথ দল তাকে গ্রেফতার করে। এদিকে গত ২১ এপ্রিল মতিঝিল ও পল্টন থানার পৃথক তিন মামলায় ২১ দিন এবং গত ১৫ এপ্রিল পল্টন থানার এক মামলায় শাখাওয়াত হোসাইন রাজীর ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এর আগে গত ১৪ এপ্রিল হেফাজতে ইসলামের সহকারী মহাসচিব মুফতি শাখাওয়াত হোসাইন রাজীকে রাজধানীর লালবাগ থেকে ডিবির একটি দল গ্রেফতার করে।

২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকা অবরোধ করেন হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীরা। তারা লাঠিসোটা, ধারালো অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে রাজধানীর মতিঝিল, পল্টন ও আরামবাগসহ আশপাশের এলাকায় যানবাহন ও সরকারি-বেসরকারি স্থাপনায় ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন। এ ঘটনায় পল্টন ও মতিঝিল থানায় হেফাজত নেতাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করা হয়।

মন্তব্য