Gmail! | Yahoo! | Facbook

আল হাইআতুল উলয়ার শোকরানা মাহফিল অনুষ্ঠিত

FacebookTwitterGoogle+Share

shukrana mahfil picঢাকা, ৪ নভেম্বর ২০১৮ঃ কওমী মাদরাসা শিক্ষা সনদকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেয়ায় শুকরানা মাহফিল করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।

আজ রোববার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর  সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কওমী মাদরাসা সমূহের সম্মেলিত বোর্ড আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি’আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ- এর পক্ষ থেকে এই সংবর্ধনা দেয়া হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ, বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ বেফাক-এর সভাপতি, হাটহাজারী দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদরাসার মুহতামিম ও হাইয়াতুল উলিয়ার চেয়ারম্যান আল্লামা শাহ আহমদ শফী।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন শিল্পমন্ত্রী আমীর হোসেন আমু, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ, নৌ পরিবহণ মন্ত্রী শাহাজাহান খান।

প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থলে আসার পর  পবিত্র করআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হয়। এতে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মো. জয়নুল আবেদীন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বেফাকের  মহাসচিব আল্লামা আবদুল কুদ্দুস।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করে সংবর্ধনা জানান আল্লামা শাহ আহমদ শফী।

এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখা হাসিনা আল্লামা শাহ আহমদ শফীর হাতে আল হাইআতুল উইলয়া লিল জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশের অধীন কওমী মাদরাসমূহের দাওরায়ে হাদিস (তাকমীল) এর সনদকে মাস্টার্স ডিগ্রি (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি) এর সমমান প্রদান বিল তুলে দেন।

দাওরায়ে হাদিসকে মাস্টার্সের সমমান দিয়ে স্বীকৃতিতে বাস্তবায়নে বিশেষ ভূমিকা রাখায় আল্লামা শাহ আহমদ শফীকে ক্রেস্ট প্রদান করে সংবর্ধনা জানান হাইআতুল উলইয়ার কো-চেয়ারম্যান মাওলানা আশরাফ আলী।

মাহফিল উপলক্ষে সারা দেশ থেকে কওমী মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষক ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মসজিদভিত্তিক গণশিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ইমামদের ঢাকায় আনা হয়েছে। সকাল থেকে ঢাকার বাইরে থেকে আসা কওমী মাদরাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আসা শুরু করেন। তাঁদের বহনকারী বাস পূর্ব নির্ধারিত স্থানে রেখে তাঁরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে রওনা হোন। অনেকেই হেঁটেই পৌঁছান সেখানে।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন, হাইআতুল উলইয়ার কো-চেয়ারম্যান মাওলানা আশরাফ আলী, জাতীয় বেফাক বোর্ডের চেয়ারম্যান মাওলানা ফরিদ উদ্দীন মাসউদ, গওহরডাঙ্গা বেফাকের সভাপতি মুফতী রুহুল আমীন, তানজিমুল মাদারিসের সভাপতি মুফতী আরশাদ রহমানী, ইত্তেহাদুল মাদারিসের পক্ষ মুফতী আবু তাহের নদভী, হাইআতুল উলইয়ার সদস্য মাওলানা সাজিদুর রহমান, মুফতী ফয়জুল্লাহ, মাওলানা বাহাউদ্দীন জাকারিয়া, আযাদ দ্বীনি এদারার মাওলানা আব্দুল বাছির, বেফাক মহাপরিচালক অধ্যাপক মাওলানা জুবায়ের আহমদ চৌধুরী প্রমুখ। যমযম

মন্তব্য