Gmail! | Yahoo! | Facbook

‘ইসলামী ছাত্র মজলিস সর্বপ্রথম কওমি সনদের সরকারি স্বীকৃতির দাবি উত্থাপন করে’

FacebookTwitterGoogle+Share
icmকওমি সনদের বিল সংসদে পাশ হওয়ায় ইসলামী ছাত্র মজলিসের সন্তোষ প্রকাশ
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ঃ সংসদে কওমি মাদ্রাসাসমূহের দাওরায়ে হাদিস (তাকমীল) এর সনদকে মাস্টার্স ডিগ্রি (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি) সমমান প্রদান আইন, ২০১৮’ অনুমোদন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস।
গতকাল ১৯ সেপ্টেম্বর, বুধবার রাতে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইলিয়াস আহমদ ও সেক্রেটারি জেনারেল মনসুরুল আলম মনসুর এর গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় সন্তোষ প্রকাশ করেন।
নেতৃদ্বয় বলেন, কওমি সনদের সরকারি স্বীকৃতির দাবি সর্বপ্রথম ১৯৯২ সালে উত্থাপন করে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস। ছাত্র মজলিসের ১৩ দফা শিক্ষাদাবির অন্যতম একটি দাবি ছিল- কওমি সনদের সরকারি স্বীকৃতি।
১৯৯২ সালের ২৯ মার্চ রাজধানী ঢাকার মতিঝিলে ঢাকা জেলা ক্রীড়া সমিতি (ডিডিএসএ) মিলনায়তনে, তৎকালীন কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল কাদির সালেহ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় কলেজ প্রতিনিধি সম্মেলনে সংগঠনের ১৩ দফা শিক্ষা দাবী উত্থাপন করা হয়েছিল। এটাই ছিল কওমি মাদরাসা শিক্ষা সনদের সরকারি স্বীকৃতির আনুষ্ঠানিক দাবি উত্থাপন। উক্ত সম্মেলনে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শীর্ষস্থানীয় উলামায়ে কেরাম এবং জাতীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
নেতৃদ্বয় আরও বলেন, দীর্ঘদিন পর এদেশের কওমি অঙ্গণের শিক্ষাব্যবস্থা রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেল, এর মাধ্যমে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা আরও গতিশীল ও উন্নত হবে। কওমি মাদরাসা পড়ুয়া আলেমরা দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখতে পারবেন।
সরকার ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন জানিয়ে নেতৃদ্বয় বলেন, কওমি সনদের স্বীকৃতির জন্য যারা যেভাবে ভূমিকা পালন করেছেন, আল্লাহ সবাইকে উত্তম বদলা দিন। স্বকীয়তা ও স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখে এগিয়ে যাক কওমি মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থা।

মন্তব্য