Gmail! | Yahoo! | Facbook

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচন আজ

FacebookTwitterGoogle+Share

kccঢাকা, ১৫ মে ২০১৮ঃ আজ মঙ্গলবার (১৫ মে) খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) নির্বাচন । সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভোটগ্রহণ করা হবে। সব ধরনের প্রস্তুতি ও প্রচার-প্রচারণা শেষ হয়েছে।

গতকাল সোমবার (১৪ মে) দুপুর থেকে ২৮৯টি ভোট কেন্দ্রে ব্যালট বাক্সসহ নির্বাচনি সরঞ্জাম পাঠানো হয়। ইতোমধ্যেই নগরীতে বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। টহল জোরদার করেছেন র‌্যাব-পুলিশ ও গোয়েন্দা বাহিনীর সদস্যরাও। নির্বাচনে চার লাখ ৯৩ হাজার ৯২ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। মহানগরীর ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের সোনাপোতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের পিটিআই কেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ করা হবে।

গত তিন-চারদিন বৃষ্টির কারণে বিড়ম্বনায় পড়েছেন প্রার্থী ও ভোটাররা। শেষ মুহূর্তেও বিঘ্ন ঘটিয়েছে বৈরী আবহাওয়া। এ অবস্থা ভোটের দিনও অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। খুলনা আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবহাওয়াবিদ মো. আমিরুল আজাদ বলেন, ‘ক্ষণে ক্ষণে আবহাওয়ার পরিবর্তন হচ্ছে। দিনের একাংশ ভালো, তো অন্য অংশে বৃষ্টি। এ অবস্থার মধ্যে ১৫ মে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গত ১৫ দিন খুলনায় প্রায় প্রতিদিনই বৃষ্টি হয়েছে। মৌসুমী বায়ুর চাপে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। বর্তমানে খুলনা অঞ্চলের আকাশে মৌসুমী বায়ুর প্রভাব বেশি। ফলে আগামী দু’সপ্তাহ খুলনায় বৃষ্টি হতে পারে।’

কেসিসি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী জানান, নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার (১৩ মে) বিকালে খুলনা সরকারি মহিলা কলেজ মিলনায়তনে বিভাগীয় কমিশনার, নির্বাচন কর্মকর্তা, ম্যাজিস্ট্রেট, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়। তিনি জানান, নির্বাচনের ভোটগ্রহণের জন্য ব্যালট বাক্স, ব্যালট পেপার, সিল, কালিসহ নির্বাচনি মালামাল বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স থেকে সোমবার স্ব স্ব কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসারদের বুঝিয়ে দেওয়া হবে।

খুলনা জেলা প্রশাসক মো. আমিন উল আহসান জানিয়েছেন, সোমবার (১৪ মে) থেকে ১০ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন শুরু করবেন।

উল্লেখ্য, কেসিসি নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী রয়েছেন পাঁচজন। তারা হলেন— আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক (নৌকা), বিএনপি মনোনীত নজরুল ইসলাম মঞ্জু (ধানের শীষ), জাতীয় পার্টি মনোনীত এস এম শফিকুর রহমান মুশফিক (লাঙল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত মাওলানা মুজ্জাম্মিল হক (হাত পাখা) ও সিপিবি মনোনীত মো. মিজানুর রহমান বাবু (কাস্তে)। এছাড়া, ৩১টি সাধারণ ওয়ার্ডে ১৪৮ জন ও ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৩৯ জন কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনে ভোটার চার লাখ ৯৩ হাজার ৯২ জন। এর মধ্যে পুরুষ দুই লাখ ৪৮ হাজার ৯৮৫ ও নারী দুই লাখ ৪৪ হাজার ১০৭ জন। ২৮৯টি কেন্দ্রের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) কেন্দ্র ২৩৪টি এবং সাধারণ কেন্দ্র ৫৫টি। ভোট কক্ষ রয়েছে একহাজার ৫৬১টি। আর অস্থায়ী ভোট কক্ষ ৫৫টি। প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার রয়েছেন চার হাজার ৯৭২ জন। এ নির্বাচনে পর্যবেক্ষক থাকছেন ২১৯ জন। এর মধ্যে ৪/৫ জন বিদেশি, ৩৫ জন নির্বাচন কমিশনের, ১৭৯ জন বিভিন্ন সংস্থার পর্যবেক্ষক। বাংলা ট্রিবিঊন

 

মন্তব্য