Gmail! | Yahoo! | Facbook

জাফর ইকবাল সজ্ঞান ও স্বাভাবিক আছেন: মেডিকেল বোর্ড প্রধান

FacebookTwitterGoogle+Share

cmhঢাকা, ৪ মার্চ ২০১৮ঃ অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল সজ্ঞান ও স্বাভাবিক আছেন। তিনি এখন শঙ্কামুক্ত ও কথাবার্তা বলছেন। রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান ড. জাফরের চিকিৎসায় গঠিত সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) মেডিকেল বোর্ড প্রধান মেজর জেনারেল মুন্সী মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান।

সিএমএইচের তৃতীয় তলায় অ্যাডমিন রুমের কনফারেন্স হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মেডিকেল বোর্ড প্রধান জানান, সকালে জাফর ইকবালকে পানি জাতীয় খাবার দেয়া হয়েছে। গতরাতে রাতে তার সঙ্গে স্ত্রী ও মেয়ে ছিলেন। তার মানসিক অবস্থাও ভালো আছে।

তবে চিকিৎসার সুবিধার্থে ড. জাফরের সঙ্গে কাউকে সাক্ষাৎ করেত দেয়া হচ্ছে না বলে জানান স্বশস্ত্র বাহিনীর চিফ কার্ডিয়াক সার্জন মেজর জেনারেল মুন্সী মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান।

সংবাদ সম্মেলেনে জানানো হয়, জাফর ইকবালের মাথায় চারটা, পিঠের ওপরে একটা এবং বাম হাতে একটা আঘাত রয়েছে। তবে ব্রেইন ও খুলিতে আঘাত লাগেনি। তবে তা গুরুতর (হেভি ইনজুরি) আঘাত নয়। চামড়ার ওপরে আঘাত লেগেছে। এরপরও তার সম্পূর্ণ সুস্থ হতে কয়েকদিন সময় লাগবে। তার মানসিক অবস্থাও ভালো।

শনিবার বিকালে সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবি) ক্যাম্পাসে এক অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী ও পুলিশের উপস্থিতিতে জাফর ইকবালের ওপর হামলা চালানো হয়। ছুরি দিয়ে এই লেখক-অধ্যাপকের মাথায় আঘাত করে ফয়জুর রহমান নামে এক হামলাকারী।

বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে ওই হামলার পরপর জাফর ইকবালকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।

এরপর অধ্যাপক জাফর ইকবালকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিলেট থেকে তাকে ঢাকায় সিএমএইচ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ঢাকায় আনার পর শনিবার রাতেই বিভিন্ন বিভাগের ২২ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক জাফর ইকবালকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন।

এ ছাড়া জাফর ইকবালের চিকিৎসার জন্য সিএমএইচ ছয় সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করে।

বোর্ডে আছেন মেজর জেনারেল মুন্সী মোহা. মুজিবুর রহমান (কনসালটেন্স সার্জন), ডা. আবুল কালাম আজাদ, (মহাপরিচালক স্বাস্থ্য অধিদফতর), বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান (কমাড্যান্ট), বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান (চিফ সার্জন), কর্নেল মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম (নিউরো সার্জন) এবং লে. কর্নেল মো. আমিনুর রহমান (ইনটেনসিভিস্ট)। যুগান্তর

মন্তব্য