Gmail! | Yahoo! | Facbook

৯ পদে ৭৮ হাজার আবেদন!

FacebookTwitterGoogle+Share

dncbঢাকা, ২ মার্চ ২০১৮ঃ মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শকের (এসআই) নয়টি শূন্য পদে নিয়োগ পেতে আবেদন করেছেন ৭৮ হাজার ৮২ জন। প্রতি পদের বিপরীতে আবেদনের সংখ্যা আট হাজার ৬৭২টি। এসআই পদে সব মিলিয়ে বেতন প্রায় ২৬ হাজার টাকা।

গত ডিসেম্বরে ১২ ধরনের ২৪২টি পদে কর্মকর্তা ও সদস্য নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার পর আবেদনের সংখ্যা দেখে কর্মকর্তারা অবাক হয়েছেন। ২৪২টি পদের বিপরীতে মোট ২ লাখ ১৭ হাজার আবেদন পড়েছে। অবস্থা এমনই যে আবেদনগুলোর প্রাথমিক যাচাই (শর্ট লিস্ট) করাও সংস্থাটির পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

২৬ হাজার টাকা বেতনের এসআইয়ের নয়টি পদের জন্য এত আবেদনের কোনো কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না কর্মকর্তারা।

মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তারা জানান, গত ডিসেম্বরে ১২ ধরনের ২৪২টি পদে নিয়োগের আবেদন চাওয়া হয়। এর মধ্যে সর্বাধিক ৭৮ হাজার জন আবেদন করেছেন নয়টি এসআই পদের জন্য। এ ছাড়া হিসাবরক্ষকের ১২টি পদে আবেদন করেছেন ৩ হাজার ৫৫৮ জন, সহকারী প্রসিকিউটরের দুটি পদে দেড় হাজার জন আবেদন করেছেন। এই তিন পদেরই বেতন হবে গ্রেড-১১ অনুযায়ী। যার মূল বেতন সাড়ে ১২ হাজার টাকা। বাসাভাড়া ও অন্য সুবিধাদি মিলিয়ে মাসে মোট বেতন হবে ২৬ হাজার টাকার মতো। এই তিন পদের ন্যূনতম যোগ্যতা চাওয়া হয়েছিল স্নাতক পাস।

এ ছাড়া গবেষণা তথ্য সংগ্রহকারীর একটি পদের জন্য ৬০৩ জন, কম্পিউটার অপারেটরের চারটি পদে ২ হাজার ৫৬২ জন, গাড়ি চালকের ৪৬টি পদে ৩ হাজার ১৮৭ জন, অফিস সহকারীর ২৮টি পদে ৫২ হাজার ৪০৩ জন, টেলিফোন অপারেটরের তিনটি পদে ৩ হাজার ৪৩৬ জন, সিপাইয়ের ১০১টি পদে ৪১ হাজার ৮৮৮ চন, ওয়্যারলেস অপারেটরের ৩০টি পদে ২৯ হাজার ৬৪৬ জন, নিরাপত্তাপ্রহরীর চারটি পদে ৭৫৮ জন এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মীর দুটি পদের জন্য ২৯১ জন আবেদন করেছেন।

সংস্থাটির উপপরিচালক (প্রশাসন) মো. মামুন প্রথম আলোকে বলেন, পুরো আবেদনপ্রক্রিয়া অনলাইনে সম্পন্ন হয়। গত ৩১ জানুয়ারি ছিল আবেদনের শেষ তারিখ। এখন কীভাবে পরীক্ষা নেওয়া হবে, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা চলছে।

দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এখন মোট জনবল ১ হাজার ১৯২ জন। আরও কিছু লোকজন নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তাঁরা কখনো ভাবতে পারেননি এই কটি পদের জন্য এত আবেদন পড়বে। এখন এগুলো তাঁদের পক্ষে প্রাথমিক যাচাই–বাছাই করাই প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই পরীক্ষার দায়িত্ব বুয়েট বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো ইনস্টিটিউট বা বিভাগকে দেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে কথাবার্তা চলছে। প্রথম আলো প্রতিবেদন

মন্তব্য