Gmail! | Yahoo! | Facbook

নন-এমপিও শিক্ষকদের অনশনঃ অসুস্থ ১২ শিক্ষক

FacebookTwitterGoogle+Share
Non-MPO-Teachersঢাকা, ১ জানুয়ারী ২০১৮ঃ সরকার স্বীকৃত সোয়া পাঁচ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির দাবিতে আমরণ অনশনে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন ১২ জন শিক্ষক-কর্মচারী।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন সোমবার নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ বিনয় ভূষণ রায় জানান, ১২ জন শিক্ষক অসুস্থ হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ।

অসুস্থ শিক্ষকদের সরকারিভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থাও করা হয়নি জানিয়ে তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে চিকিৎসা টিম দেওয়ার আবেদন করেছিলাম, কিন্তু তারা আমাদের আবেদন গ্রহণ করেনি।

“এখন যারা অসুস্থ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন তাদের কাছ থেকেও টাকা আদায় করা হচ্ছে। বাধ্য হয়ে কয়েকজন শিক্ষককে কর্মসূচিস্থলেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।”

এখন পর্যন্ত সরকারের কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তি তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি বলে জানান এই শিক্ষক নেতা।

অনশনে যাওয়ার আগে ২৬-৩০ ডিসেম্বর ‘অবস্থান কর্মসূচি’ পালন করেন শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশন।

বিনয় ভূষণ রায় জানান, সরকারের তালিকায় যোগ্য ও স্বীকৃতপ্রাপ্ত পাঁচ হাজার ২৪২টি নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৮০ হাজার শিক্ষক বছরের পর বছর বিনা বেতনে পাঠদান করে যাচ্ছেন, তাদেরকে মানবেতর জীবন-যাপন করতে হচ্ছে।

নন-এমপিও এসব স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ২৫ লাখ শিক্ষার্থী রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

এই শিক্ষক নেতা জানান, ২০১০ সালে সরকার এক হাজার ৬২৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করে। বাকি ওই নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে পর্যায়ক্রমে এমপিওভুক্ত করার কথা ছিল। কিন্তু কোনো কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১০ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত বিনা বেতনে শিক্ষকরা শিক্ষকতা করে যাচ্ছেন।

এদিকে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের নিবন্ধিত ইবতেদায়ী মাদরাসা জাতীয়করণের দাবিতে সোমবার সকাল থেকে প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেছেন শিক্ষকরা।

স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষক সমিতির মহাসচিব কাজী মোখলেছুর রহমান বলেন, ইবতেদায়ী মাদরাসার শিক্ষকরা তেমন বেতনভাতা না পায় না, তারপরও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মত তারা শিক্ষকতা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিছু মাদরাসার শিক্ষক আড়াই হাজার থেকে দুই হাজার ৩০০ টাকা বেতন পেলেও অধিকাংশ শিক্ষকই গত ২৯ বছর ধরে বেতনভাতা থেকে বঞ্চিত।

১৯৯৪ সালে ইবতেদায়ী মাদরাসার শিক্ষকদের বেতনভাতা প্রদানের সিদ্ধান্ত হলেও তা বাস্তবায়নে হচ্ছে না জানিয়ে তিনি বলেন, “জাতীয়করণের ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত লাগাতার অবস্থান ধর্মঘট চালিয়ে যাব।” বিডি নিউজ

মন্তব্য