Gmail! | Yahoo! | Facbook

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে বাংলাদেশের ন্যূনতম প্রত্যাশার পূরণ হয়নি: মির্জা ফখরুল

FacebookTwitterGoogle+Share

fakrul islamঢাকা, ১১ এপ্রিল ২০১৭ঃ  প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে বাংলাদেশের মানুষের ন্যূনতম প্রত্যাশার পূরণ হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেছেন, আজকে দেশের প্রতিটি পত্র-পত্রিকায়, এমনকি ভারতের নিজস্ব কিছু পত্রিকাতেও একই সুর- বাংলাদেশ পেল না যা পাওয়া উচিত ছিল। প্রধানমন্ত্রী নিজেই স্বীকার করেছেন- ‘ম্যায় পানি মাঙ্গা, মুজকো বিদ্যুৎ মিলা, কুচ তো মিলা।’ বিদ্যুতের কথা বলা হয়েছে তাও আবার পয়সার বিনিময়ে। প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে দেশের মানুষের ন্যূনতম প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। দৈনিক আমার দেশ পত্রিকা বন্ধের চার বছর পূর্তি উপলক্ষে দুপুরে রাজধানী রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ‘রাষ্ট্রীয় জুলুমের শিকার আমার দেশ পত্রিকা বন্ধের চার বছর’ শীর্ষক এক প্রতিবাদ সমাবেশে এ মন্তব্য করেন।

মির্জা আলমগীর বলেন, সরকার নতজানু পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে চলছে। তাই তারা দাবি আদায় করতে পারবে না। ফলে এই তাঁবেদার সরকারকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠায় এখন আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমে আসতে হবে। কারণ এরা ভিন্ন কৌশলে নতুন পোশাকে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠার সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে চলেছে। ১৯৭১ সালের পর যে নিয়ন্ত্রিত বাংলাদেশ গড়ে তোলার নীলনকশা করা হয়েছিল তা বাস্তবায়নে অনেক দূর এগিয়ে গেছে। তিনি বলেন, ফারাক্কার বাঁধ নিয়ে জিয়াউর রহমান ভারতকে জাতিসংঘে নিয়ে যেতে বাধ্য করেছিলেন। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া জীবন-সায়াহ্নে এসেও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে লড়াই করছেন। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আমাদের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন সফল করতে হবে। তাহলেই আমরা ‘আমার দেশ পত্রিকা’ আবার চালু করতে পারব। আমাদের অধিকারগুলো ফিরিয়ে আনতে পারব। আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে স্পষ্টভাষী আখ্যা দিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, মাহমুদুর রহমান এক সাহসী সংগঠনের নাম। যিনি কখনও অন্যায়ের কাছে মাথানত করেননি, আপোষ করেননি। মাহমুদুর রহমানের কাছ থেকে শিক্ষা নিয়ে আরও উদ্যমে রাজপথে ঝাঁপিয়ে পড়ি- এটাই হোক আমাদের প্রতিজ্ঞা।

আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের সভাপতিত্বে ও ডিইউজের (একাংশ) সভাপতি কবি আবদুল হাই শিকদারের সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. এমাজউদ্দিন আহমেদ, কবি ও কলামিস্ট ফরহাদ মাজহার, ঢাবি শিক্ষক ড. দিলারা জামান, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, ডা. জাহিদ হোসেন, সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা প্রফেসর সিরাজউদ্দিন আহমেদ, ইঞ্জিনিয়ার আনহ আখতার হোসেন, প্রফেসর জেড এন তাহমিদা বেগম, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিব উন নবী খান সোহেল, সহ তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী সহ-প্রচার সম্পাদক কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল, সাংবাদিক রুহুল আমিন গাজী, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদ, জাতীয় প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক ইলিয়াস খান, আবদুস শহীদ, বিএফইউজে মহাসচিব এম আবদুল্লাহ, বাকের হোসাইন ও জাহাঙ্গীর আলম প্রধান বক্তব্য দেন।

মন্তব্য