Gmail! | Yahoo! | Facbook

বিয়ে বাড়ির আনন্দ মুহূর্তেই কান্নায় পরিণত!

FacebookTwitterGoogle+Share

road-accidentএহসান বিন মুজাহির, মৌলভীবাজার, ১৭ সেপ্টেম্বরঃ বিয়ের পিঁড়িতে বসা হলো না সুফিয়ানের। অনুষ্ঠানে পৌছার আগেই সড়কে প্রাণ কেড়ে নিলো বরসহ পরিবারের আরো ৮ সদস্যের! বরকে সাথে নিয়ে পরিবারসহ এলাকার স্বজনরা। বিবাড়িয়ায় যেতেই মুখোমুখি হতে হলো মর্মান্তিক দুর্ঘটনার।

যেন শোকের সাগরে ভাসছে রুপশপুর গ্রাম। গোটা গ্রাম যেন শোকে মুহ্যমান। নিহতদের স্বজনদের কান্নায় আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠছে। যারা সান্ত্বনা দিতে আসছেন, চোখের পানি ধরে রাখতে পারছে না তারাও।

রুপশপুরের বিয়ে বাড়িতে যে আনন্দ উৎসব চলছিল। একটি দুর্ঘটনা নিমেষেই তা ম্লান করে দিলো। একই পরিবারের ৮ জনের মৃত্যুশোক একেবারে জেঁকে বসেছে গ্রামটিতে।

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে রুপশপুর গ্রামের আবু সুফিয়ান বরযাত্রীদের নিয়ে বিয়ে করতে যাচ্ছিলেন। বরযাত্রী বহনকারী মাইক্রোবাসটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার শশই এলাকায় পৌঁছায়। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখী সংঘর্ষ হয় মাইক্রোবাসটি।

আর চোখের পলকেই মাইক্রোবাসের সঙ্গে দুমড়ে-মুচড়ে যায় আবু সুফিয়ানের সব স্বপ্ন। নিহত হন তিনিসহ আরও ৮ জন। বর আবু সুফিয়ানের দুই ভাই কামরান ও ফয়ছল মারা যান।

শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার শশই এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

দুর্ঘটনায় বর মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের রুপশপুর গ্রামের আবু সুফিয়ান (২৫), তার মামা হাজি আবদুল হান্নান (৬৫), বরের দুই ভাই কামরান (২০) ও ফয়ছল (২৩), বরযাত্রী মুর্শেদ (২৫), হাবিবুল (২২), আলী হোসেন (২৫) ও মুক্তার মিয়া (৪২) নিহত হন।

নিহতদের নামাজে জানাজা রাত সাড়ে ১০টায় রুপশপুর নয়াবাজার সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আমি ব্যাথিত! গভীর শোকাহত এবং পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করছি।

আবু সুফিয়ান মাওলানা, মুফতি ছিলেন। পেশায় মাদরাসা শিক্ষক।

মন্তব্য