Gmail! | Yahoo! | Facbook

অজানা ফররুখ

FacebookTwitterGoogle+Share

poet-Farrukh-Ahmadআহমদ আখতার।। হাজার ওলি আউলিয়া দেন জ্বালিয়ে যেথা রং মশাল,/যে দেশে ভাই দ্বীনের আলো আনেন বয়ে শাহ্্ জালাল,/ইয়েমেন দেশের মাটির মতো/যার মাটিতে জুড়ায় প্রাণ…।’
শিশু-কিশোরদের জন্য রচিত এ পংক্তিমালার রচয়িতা কে হতে পারেন… যদি বলি ‘ডাহুক’-এর কবি ফররুখ আহমদ, খুব একটা অন্যথা হবে না। কেননা, ‘সাত সাগরের মাঝি’ভুক্ত ‘ডাহুক’ ফররুখের অধ্যাত্ম-ভাবনার চূড়ান্ত শৈল্পিক নিদর্শন। সেই আধ্যাত্মিকতা তাঁর পরবর্তী কাব্যে পেয়েছে যথার্থ স্থান। ‘সিরাজাম মুনিরা’ভুক্ত ‘আজ সংগ্রাম’, ‘এই সংগ্রাম’, ‘প্রেমপন্থী’, ‘অশ্রুবিন্দু’, ‘গাউসুল আজম’, ‘সুলতানুল হিন্দু’, ‘খাজা নকশবন্দ’, ‘মুজাদ্দিদ আল ফেসানি’, শীর্ষক কবিতা গুচ্ছেই শুধু নয়, নাম কবিতাতেও তাদের উল্লেখ তাৎপর্যপূর্ণ। নবী শ্রেষ্ঠ হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রকৃত অনুসারী হিসেবেই কবি সকল যুগের সেরা সুফী-সাধকদের মূল্যায়ন করেছেন এভাবে :
চলেছে ধ্যানের জ্ঞান-শিখা বয়ে জিলানের বীর, চিশতি বীর,
রঙ্গিন করি মাটির সুরাহি নকশবন্দের নয়নে নীর,
জ্ঞানের প্রেমের নিশান তুলেছে হাজার সালের মুজাদ্দিদ,
রায়বেরেলীর জঙ্গি দিলীর ভেঙেছে লক্ষ রাতের নিঁদ,
ওরা গেছে বহি তোমার নিশান রেখে গেছে পথে সেই নিশানি,
তবু সে চলার শেষ নাই আর, কোন দিন শেষ হবে না জানি।
‘সিরাজাম মুনিরা’ উৎসর্গীকৃত ‘পরম শ্রদ্ধাভাজন আলহাজ্ব মাওলানা আব্দুল খালেক’ হচ্ছেন আব্বার আধ্যাত্মিক গুরু-তাঁর কথায় পীর সাহেব।
॥ দুই ॥
এতোদিন ঠিক খেয়াল করিনি-আর তাই ‘মাসিক মোহাম্মদী’র শ্রাবণ ১৩৪৮ সংখ্যার বিভিন্ন পৃষ্ঠায় হাতে-লেখা আব্বার খেয়ালি ভাবনা সংবলিত টুকরো কবিতাগুলো আমার চোখকে ফাঁকি দিয়েছে। পত্রিকাটির উল্লেখিত সংখ্যার প্রথম পাতায় মুদ্রিত কবি শাহাদাৎ হোসেনের ‘বাণী চিরন্তনী’ কবিতাটি নাম সমেত কেটে আব্বা সেখানে ‘আল্লার দান’ শিরোনামে ভিন্ন প্রসঙ্গের অবতারণা করেছেন শিরোনামের নিচে এভাবে সন-তারিখ দেওয়া…
ঈদ। ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ।
’’। হিজরী।
’’। ১৩৪৮ বাংলা সন।
সন তারিখের বিষয়টি নানাবিধ কারণে গুরুত্বপূর্ণ। এই ১৯৪১ সালে আব্বার জীবনে আশ্চর্য পরিবর্তন ঘটে। আব্বা দীক্ষা নেন আধ্যাত্মিকতায়। তারই তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার সুস্পষ্ট উদাহরণ হচ্ছে এ সময়ে ‘মাসিক মোহাম্মদী’ ও ‘সওগাতে’ প্রকাশিত কোরআন শরীফের বিশেষত আমপারার বিভিন্ন সূরা, সূরা ইয়াসিন ও সূরা আর-রহমান এর কাব্যানুবাদ।
‘আল্লার দান’ শিরোনামের নিচে লেখা রয়েছে ‘সর্বগুণাধার যিনি’। এর পর নবী রাসূল সাহাবীসহ বিভিন্ন বুজুর্গ ব্যক্তির নামের পাশাপাশি তাদের মৌলিক গুণাবলীর উল্লেখ রয়েছে। বিষয়টি আকর্ষণীয় বিধায় এখানে উদ্ধৃত হলো :
(১) রসূলাল্লাহ (সা.)- আল্লার প্রতি প্রেম
(২) হজরত খিজির (আ.)- জ্ঞান
(৩) হজরত আলী- চিত্তের দৃঢ়তা, সাধনা একাগ্র তপস্যা-
(৪) হজরত মুছা (আ.)- প্রেমের বিনীত আকুলতা (আল্লাহর)
(৫) হজরত দাউদ (আ.)- প্রভু বন্দনা সুর
(৬) হজরত ইউছুফ (আ.)- রূপ, সংযম
(৭) হজরত নূহ (আ.)- কষ্টসহিষ্ণুতা
(৮) হজরত ইলিয়াস (আ.)- কর্ম
(৯) বড় পীর সাহেব- আদর (আল্লাহর প্রতি)
(১০) মায়ের- স্নেহ
(১১) ভাইয়েরা- প্রেমবিহ্বর তন্ময়তা
(১২) কারবালার শহীদান- ত্যাগ
(১৩) রসূলুল্লার কাছ থেকে- যেমন রহমত তিনি পেয়েছেন আল্লাহর কাছ থেকে পূর্ণতা
(১৪) হজরত ইব্রাহিম (আ.)- কুফরী ও নাস্তিকতার বিরুদ্ধে অবিরাম সংগ্রাম করার শক্তি ও জ্ঞান
(১৫) বড় নানাÑ নীরব ছবর, ঈমান আর সত্যবাদিতা
(১৬) হজরত উমর ফারুক- দারাজদিল, মহত্ত্ব আর মানব সেবাব্রত সকলের জন্য বেদনাবোধ,
দুঃখানুভূতি, ন্যায়
(১৭) বড় ভাই- পৌরুষ
(১৮) সমস্ত মুসলমানের কাছে পরিপূর্ণ ভালোবাসা
(১৯) আল্লার কাছে- তাঁকে এবং তাঁর সৃষ্টিকে পরিপূর্ণ ভালো বাসব
(২০) হজরত আমীর হামজা- বীরত্ব, তেজ, শারীরিক ও মানসিক শক্তি
আর ‘মাসিক মোহাম্মদী’ শিরোনামের বাঁয়ে- কাঠপেন্সিলে-লেখা রয়েছে :
আল্লার চিরকালের দাস হবো এবং
প্রভু আল্লাহ তায়ালার-
অনন্ত দয়া, ক্ষমা, শান্তি
রূপ, রস, প্রেম, আনন্দ, শক্তি
জ্ঞান এবং সর্বগুণময়
নিবিড়তম অনন্ত সান্নিধ্য পাবো।
অপরদিকে ডানে- কালিকলমে- ‘সকল প্রশংসাই আল্লার’ শিরোনামে লেখা :
যিনি নিখিল বিশ্বের প্রতিপালক।
আমরা একমাত্র তাঁর দাসত্ব করি
এবং তাঁরই শক্তি প্রার্থনা করি।
হে প্রভু আমাদের সেই পথে চালাও
যে পথ তোমার প্রীতিভাজন
দাসদের জন্য নির্দিষ্ট,
সে পথে চালিও না
যে পথ তোমার ক্রোধভাজন অভিশপ্তদের জন্য।
আব্বার আধ্যত্মিকতা ব্যক্তিতে লীন হয়নি। বরং তা বিশ্বমানবতার বিশাল আয়োজনে সম্পৃক্ত। আর তাই ১৩৫০-এর মন্বন্তর তাঁর মানসে, রচনায় সুদূরপ্রসারী ছায়া ফ্যালে। ব্যক্তি নিগড়ে নয়Ñ জাতীয় চৈতন্যে তাঁর অধিবাস।
তবে ফররুখের প্রথম আধ্যাত্মিক কবিতা- খানিক অনুবাদধর্মী- হচ্ছে ‘একটি উক্তি’। প্রকাশিত হয় ‘সওগাত’-এর আশ্বিন ১৩৪৮ সংখ্যায়। এখানে সেই টুকরো কবিতাটি তুলে দেওয়া হলো :
[বায়েজীদ বোস্তামীর উক্তি হইতে] প্রভু বলিলেন, লোকে ভাবে আমি
তাহাদেরি মতো তাহাদেরি একজন
অদৃশ্য লোকে আমার স্বরূপ
উহারা কখনো করে যদি দর্শন,
লভিবে তখনই মৃত্যু চিরন্তন।
আমি অতুলন-
মনে করো এক বিপুল প্রশ্রবণ;
আদি নাই যার অন্তহীন সে গভীরতা অগণন।
এক মহান সাধকের উক্তিকে কেন্দ্র করে আব্বার প্রথম এ জাতীয় কবিতা লেখা-আর এক দরবেশকে নিবেদিত দীর্ঘ কবিতার অনুবাদের এক বছর পর আব্বার ইন্তেকাল। এই প্রসঙ্গে বলা প্রয়োজন, মওলানা শফিউল্লাহ দাদাজী (রহ.)-কে নিবেদিত ‘নজরে আকীদাত’ শীর্ষক সদ্য অনূদিত কবিতাটি আব্বা ১৯৭৩-এর সেপ্টেম্বরে বড়ো ভাইয়ার [শান্তিনগরের বাড়িতে] এক মাহফিলে পাঠ করে শোনান। ঘটনাক্রমে সেখানে কবি বেনজীর আহমদ উপস্থিত ছিলেন। তাঁর উপস্থিতিতে আব্বা সেদিন খুব খুশি হয়েছিলেন। সম্ভবত জীবৎকালে বাসার বাইরে এটাই ছিল আব্বার সর্বশেষ কবিতা পাঠের ঘটনা।
এই প্রসঙ্গে আর একটু না-বললেই নয়। আব্বা ইন্তেকালের বছরখানেক পূর্বে মোজাদ্দেদীয় তরীকা-র সর্বশেষ সবক গ্রহণ করেন। আব্বাকে সবক দেনÑ ‘চাচা পীরসাহেব’ হজরত শাহ সগীরদ্দীন। এই পৌরুষদৃপ্ত, স্পষ্টভাষী সুফী সাধক আব্বার ইন্তেকালের পরও পাবনা থেকে ঢাকায় এলে আমাদের বাসায় এসেছেন। আব্বার কবর জেয়ারত করেছেন। তিনি আব্বাকে ‘তুমি’ বলে সম্বোধন করতেন।
আব্বার কাগজপত্রের মধ্যে তাঁরই লেখা একটি চিঠির সন্ধান পেয়েছি। যতেœ-রাখা চিঠিটি অবশ্য সগীরউদ্দিন সাহেব তার পুত্র মওলানা মোহাম্মদ সাদেককে লেখেন। চিঠিটির উল্টোপৃষ্ঠায় আব্বা লিখেছেন : ‘চাচা পীর সাহেব [জনাব হজরত শাহ সগীরউদ্দীন সাহেবের] চিঠি’।
পাবনা  থেকে ২৬ শে রমজান ৯৩ হিজরীতে [ইংরেজি ১৯৭৩] লেখা পত্রের প্রাসঙ্গিক অংশ : প্রিয় মুহম্মদ বাবাজী
… আমার দোওয়া ও ছালাম তথায় সকল মুরীদ মতাকেদগণকে পৌঁছাইবা। খাছ করিয়া ফররুখ আহমদ বাবাজী, ছুফি আলী আহমদ বাবাজী ও ইনসপেক্টর ছাহেবকে পৌঁছাইবা। ঈদের পর একবার তোমাদের সহিত দেখাসাক্ষাৎ করিতে যাইতে পারি।… [স্বাক্ষর আরবীতে] হ্যাঁ, শাহ সাহেব এসেছিলেন। ইস্কাটনের বাসায় আব্বাকে সর্বশেষ সবক দিয়েছিলেন। আব্বা সবকিছুতেই ছিলেন পূর্ণতার পক্ষপাতী। এক্ষেত্রেও আল্লাহতাআলা তাঁর আরজু অপূর্ণ রাখেননি।
এখানে একটি কথা জোর দিয়ে বলবো, এ যাবত অপ্রকাশিত এই কবিতাগুচ্ছ একেবারেই খসড়া। শিল্পমূল্য নয়-বিশেষ সময়-পরিধিতে কবির মানস উত্তরণের উদাহরণ হিসেবেই এর গুরুত্ব সমধিক।
দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় অর্থাৎ ‘মাসিক মোহাম্মদী’র ৬৫০ পৃষ্ঠার মার্জিনে কাঁঠপেন্সিলে লেখা চারটি পংক্তি :
ওগো রঙিন গোলাব রক্ত গোলাব
কোন রঙেতে রাঙা
কোন রঙেতে কাঁটায় জাগে
পাপড়ি সুবাস ভাঙা।
৬৫৫ পৃষ্ঠায় কাঁঠপেন্সিলে লেখা রয়েছে :
যদি গানের মালা যোগ্য না হয় তাঁর-
তবে তুমি ক্ষমা চেয়ো
যদিÑ অকুলান হয় বুক ভরা প্রেম ভার
তবে তুমি ক্ষমা চেয়ো-
চেয়ে নিয়ো-
তাঁর, আরো দানসম্ভার, প্রেম ভার
ক্ষমা চেয়ো॥
পত্রিকার ৬৫৯ পৃষ্ঠায় ‘টহল’ গল্পশেষে লেখা রয়েছে একটি গান। গানের শেষে লেখা রয়েছে : ‘কার্তিক ১৩৪৮। ঈদ পর্ব ২।’ লেখাটি এখানে উদ্ধৃত হলো :
এই গোলাবের মৌসুমে
ফুল নিলো নাকে।
ওগো ফুটেচে মরা মালঞ্চে
হায়, নিলো না কে।
কে গেলো রিক্ত হাতে অভাগা সে
হেরো মালঞ্চ হতে কি গন্ধ আসে
হায় নিলো না কে।
৬৭২ পৃষ্ঠায় আরো চারটি পঙক্তি। সবশেষে কবি-প্রদত্ত তারিখ : ‘ঈদ রাতের আগে/১৩৪৮।
চারটি পঙক্তি হচ্ছে :
ওগো তুমি ভুল কোরো না ভুল বুঝো না মনে
তিনি দিলেনÑ পরম দাতা-দেন যে জনে জনে
তাঁরি পায়ে লুটাও। এবার এই সুর এই সংগীতহার-
হৃদয়খানি লুটাও তারি পায়ে, প্রেম ভরা॥
৬৮০ পৃষ্ঠায় লেখা কবিতার ওপর ব্রাকেটে ১ লেখা রয়েছে। পঙক্তি ক’টি হচ্ছে :
এবার ঘুচলো তোমার কাঙালপনা
সবার দ্বারে ঘোরা-
তাঁরি ঘরে ঠাঁই দিলেন, যে
সকল পরান হরা-
ভিক্ষা মাগি নিখিলব্যাপী
শঙ্কাতে মন উঠতো কাঁপি
এবার আমার দুয়ার-পাশে
জাগে নিখিল ধরা।
৬৮৯ পৃষ্ঠায় আরো দুটি কবিতা-কাঁঠপেন্সিলে লেখা। রচনাকাল : ‘২১ শে অক্টোবর, ১৯৪১’Ñ
[এক] তাঁরি নামে গানের কলি ফোটে
তাঁরি পায়ে নিখিল ধরা লোটে।
নিদহারা তার নয়ন ‘পরে
অঝোর ধারায় করুণা ঝরে
বন্দনা তাঁর, প্রশংসা তাঁর
সবই তাঁহার-ধরার গোঠে।
[ঈদের আগের রাতে, ১৩৪৮, কার্তিক] [দুই] সে-দিন এলো সুর
প্রথম সুরের বাণী
তাঁরই দেওয়া সুরে আমার
কাঁপল হৃদয়খানি।
বন্দনা তাঁর, জানাই তাঁরি পায়ে
শান্তি গভীর কৃতজ্ঞতা ছায়ে
এবার শুরু, শেষও তাতেই
জানি আমি জানি॥
আব্বার যাপিত জীবন ও চেতনার গভীরে ছিলো সূফী-সাধকদের হিরন্ময়ী অর্জনের দ্যুতি।
এ কারণে যে কোনো বৈষয়িক প্রলোভনকে তিনি অনায়াসে তুচ্ছ জ্ঞান করেছেন। সেই সাথে যুক্ত হয়েছে সাম্যবাদী চেতনাÑ ইনসানিয়াত। তিনি চেয়েছেন মনুষ্যত্বের পূর্ণ বিকাশ : ‘মানবতা হোক নির্যাতিতের মাথার তাজ’।
* সেই প্রাথমিক পর্বের কাব্যানুবাদ কতখানি সুধীজনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল সেটি উপলব্ধির জন্য অন্তত একটি দৃষ্টান্ত এখানে উল্লেখ করছি। বলা প্রয়োজনÑ এই অনুবাদকালে ফররুখ কলেজ-ছাত্র। সালটা ১৯৪১। এরও বহু বছর পর মনীষী কাজী আবদুল ওদুদ তার ¯েœহভাজন মাহেনও সম্পাদক কবি আবদুল কাদিরকে মোসাদ্দাস-ই-হালীর তরজমা প্রসঙ্গে বিষয়টির অবতারণা করেন। সেকালে কবি গোলাম মোস্তফা মোসাদ্দাস-ই-হালীর কাব্যানুবাদ করেন। গোল বাধে সেখানেই। আবদুল ওদুদের সেই তরজমা পছন্দ নয়। ১৩.৯.১৯৫৭ তারিখে কাদির সাহেবকে পত্রাঘাত করে লেখেন : ‘তুমি গোলাম মোস্তফার অনুবাদের সুখ্যাতি করতে পারলে কেমন করে?’ ওতে ত মূলের সারল্য আর গাম্ভীর্যের অপূর্ব সম্মিলন বরবাদ হয়ে গেছে।’ এই প্রসঙ্গের জেদ ধরে একই পথে কাজী আবদুল তাঁর স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে লিখেছেন : ‘ফররুখ আহমদ আজকাল কি করছেন। ভদ্রলোক কোরআনের ভাল অনুবাদ করছিলেন। ওর ভাষা ও ছন্দ দুয়েরই উপরে ভাল দখল, হালীর অনুবাদে-পদ্যানুবাদে লেগে দেখলে ভাল করতেন।’ [(আবুল আহসান চৌধুরী) সংকলিত ও সম্পাদিত কাজী আবদুল ওদুদের পত্রাবলী (১৯৯৯) পৃ. ১৫৭।] লেখক : কবিপুত্র সাংবাদিক
ইনকিলাব

 

মন্তব্য